Header Ads

সূরা ক্বদর আরবি, বাংলা উচ্চারণ, বাংলা অর্থ এবং তাফসীর

সূরা ক্বদর

আরবি, বাংলা উচ্চারণ, বাংলা অর্থ এবং তাফসীর 


আরবি উচ্চারন বাংলায় অনেক সময় ভুল থাকে।তাই আপনাদের সবাইকে অনুরোধ করছি, যখন বাংলায় উচ্চারন শিখবেন তখন অবশ্যই আরবির সাথে মিলিয়ে নিবেন।

আরবি উচ্চারনঃ


বাংলা উচ্চারণঃ

বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম


ইন্না আনযালনাহু ফী লাইলাতিল কাদর। অমা আদরা কামা লাইলাতুল কাদর। লাইলাতুল কাদরি খাইরুম মিন আলফি শাহর। তানাযযালুল মালায়িকাতু অররূহু ফীহা বিইযনি রাব্বিহিম মিন কুল্লি আমরি। সালামুন হিয়া হাত্তামাত্ব লাই'ল ফাজ্বর।

বাংলা অর্থঃ

শুরু করছি আল্লাহর নামে যিনি পরম করুণাময়, অতি দয়ালু। 


নিশ্চই আমি এটা (কুরআন) ক্বদর রাতে নাযীল করলাম। আর আপনি কি জানেন, মহিমান্বিত রাত কি? ক্বদর (মহিমান্বিত) রাত, হাজার মাস অপেক্ষা শ্রেষ্ঠ। সে রাতে প্রত্যেক বরকত পূর্ণ বিষয় নিয়ে ফেরেশতা ও রূহ (জিব্রাঈল) (দুনিয়াতে) অবতীর্ণ হয়, স্বীয় রবের নির্দেশে। সে রাতে সম্পূর্ণ শান্তি, ফজর পর্যন্ত বিরাজিত থাকে।

তাফসীরঃ


আয়াতঃ ১ 
২৩শে, ২৫শে ও ২৭শে রমজানের রাত্রিকে শবে কদরের রাত্রি বলে অভিহিত করা হয় অবশ্য অনেকে রমজানের শেষ দশদিনের যে কোন বেজোড় রাত্রিকে এই নামে অভিহিত করেন। দেখুন এই সূরার ভূমিকা। ৩নং আয়াতে এই রাত্রির বৈশিষ্ট্য সম্বন্ধে বলা হয়েছে। এই রাতের এবাদত সহস্র মাসের এবাদত অপেক্ষা শ্রেষ্ঠ। এই রাত সময়ের সীমানাকে অতিক্রম করে যায়। আল্লাহ্‌র অসীম ক্ষমতায় তাঁর প্রত্যাদেশের সত্যের আলো অজ্ঞতার অন্ধকারকে দূর করে দেয় এই রাত্রিতে। 

আয়াতঃ ২ ও ৩ 
এই আয়াতের সহস্র মাস শব্দটি আক্ষরিক ভাবে অর্থ করার কোন অবকাশ নাই। ‘সহস্র মাস’ শব্দটি দ্বারা সীমাহীন সময়কে বুঝানো হয়েছে। আল্লাহ্‌র হেদায়েতের আলোতে এক মূর্হুতের জন্য আলোকিত হওয়া হাজার হাজার বছর ব্যপী পশু জীবন যাপন অপেক্ষা শ্রেয়। মানুষের জীবনে যখন এরূপ কোন মূহুর্ত আসে তবে সেই মূহুর্তে আত্মিক অন্ধকার কেটে যায় এবং আত্মা সৌন্দর্য মন্ডিত হয়ে দ্যুতি বিকিরণ করে। 

আয়াতঃ ৪ 
‘রূহু‘ শব্দটি দ্বারা সাধারণতঃ জিব্রাইল ফেরেশতাকে বুঝানো হয়। 

আয়াতঃ ৫ 
আত্মিক অন্ধকার মানুষকে করে ভয়ে শঙ্কিত,ভীত, অস্থির ও অশান্ত। কিন্তু যখন আধ্যাত্মিক জগতের এই অন্ধকার দূরীভূত হয় এবং আল্লাহ্‌র নূরে হৃদয় হয় আলোকিত, তখন হৃদয়ের মাঝে এক বিরল প্রশান্তি নেমে আসে। মোমেন বান্দার এই আধ্যাত্মিক শান্তি আমৃত্যু বিরাজ করে। এর পরে মৃত্যুর সিংহ দুয়ার পেরিয়ে সে যখন পরলোকের জীবনে প্রবেশ করে, সে পৃথিবী হবে নূতন পৃথিবী নূতন আঙ্গিকে। যে পৃথিবীর তুলনায় বর্তমান পৃথিবীর দিন ও রাত্রিকে মনে হবে খুবই ক্ষণস্থায়ী -ক্ষণিকের স্বপ্নের ন্যায়।


Blogger দ্বারা পরিচালিত.